লক্ষ্য ঠিক করে জমানোর সুবিধা
"যা বাঁচে তা জমাব" পদ্ধতিতে সঞ্চয় প্রায়ই হয় না। উল্টো পথে হাঁটলে সহজ হয়: আগে লক্ষ্য ও সময় ঠিক করুন, তারপর হিসাব করে মাসিক অঙ্ক নির্ধারণ করুন, এবং বেতন পাওয়ার দিনই সেটা আলাদা করে ফেলুন।
কীভাবে হিসাব হয়
i = বার্ষিক হার ÷ ১২ ÷ ১০০, n = মোট মাস
উদাহরণ
৫ বছরে ১০,০০,০০০ টাকা পেতে চাইলে এবং সুদের হার ৮% হলে মাসে প্রায় ১৩,৫২০ টাকা জমাতে হয়। এর মধ্যে নিজের জমা প্রায় ৮,১১,২০০ টাকা, বাকি প্রায় ১,৮৮,৮০০ টাকা আসে সুদ থেকে।
লক্ষ্য পূরণের কয়েকটি কৌশল
- স্বয়ংক্রিয় করুন। বেতন আসার পর মাসিক ডিপিএস বা স্থায়ী নির্দেশনায় টাকা আলাদা হয়ে যাক।
- লক্ষ্য ভাগ করুন। বড় লক্ষ্যকে ছোট ছোট ভাগে ভেঙে আলাদা স্কিমে জমান।
- আয় বাড়লে অঙ্ক বাড়ান। বেতন বাড়ার সাথে মাসিক জমাও কিছুটা বাড়ান।
- জরুরি তহবিল আগে। তিন থেকে ছয় মাসের খরচ আলাদা রাখুন, যাতে হঠাৎ প্রয়োজনে সঞ্চয় ভাঙতে না হয়।
- মূল্যস্ফীতি মাথায় রাখুন। ১০ বছর পরের ১০ লাখ টাকার ক্রয়ক্ষমতা আজকের চেয়ে কম। দীর্ঘ মেয়াদে লক্ষ্যের অঙ্ক কিছুটা বাড়িয়ে ধরুন।
সাধারণ প্রশ্ন
সুদের হার কত ধরব?
আপনি যে স্কিমে জমাবেন সেটির বর্তমান হার ধরুন। নিশ্চিত না হলে একটু কম হার দিয়ে হিসাব করুন, যাতে লক্ষ্যে ঘাটতি না পড়ে।
ক্যালকুলেটরে কর ধরা হয়েছে কি?
না। সুদের ওপর উৎসে কর কাটলে প্রাপ্তি কিছু কমবে। কর সহ হিসাব দেখতে ডিপিএস ক্যালকুলেটর ব্যবহার করুন।
মাসে এই অঙ্ক জমানো সম্ভব না হলে?
মেয়াদ বাড়ান বা লক্ষ্য কমান, দুটোই চেষ্টা করে দেখুন। মেয়াদ বাড়ালে মাসিক চাপ কমে।
দাবিত্যাগ: এটি আর্থিক পরামর্শ নয়। বিস্তারিত দাবিত্যাগ পাতায়।